ক) সংস্কৃতি-চর্চা ও সৃজনশীল কার্যক্রম সম্পাদনের মধ্যে দিয়ে প্রতিভার বিকাশ সাধন এবং শিল্প-সংস্কৃতি চর্চার সুষ্ঠ পরিবেশ গড়ে তোলা।
খ) সমাজ জীবনকে বিপথগামী ও কুলুষিতকে করতে পারে এ জাতীয় অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আপোষহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
গ) সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে স্থানীয় ঐতিহ্যকে গুরুত্ব সহকারে অনুধাবন করা, লালন করা এবং তার পরিচয়কে বিকশিত করা।
ঘ) স্থানীয় লোকসংস্কৃতির উপাদানসমূহ সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের কাজ করা।
ঙ) লোকসংস্কৃতির জীবনমুখী ধারাকে প্রাধান্য দেয়ারসহ লোকঐতিহ্যের অঙ্গীভূত সঠিক সংস্কৃতি ধারার জীবনবাদী অনুসৃত ও নবায়ন ঘটানো।
চ) স্থানীয় প্রথিতযশা ও সম্ভাবনাময় সংস্কৃতি-কর্মীদের সৃজনশীল কর্মপ্রয়াস সুখী-সুন্দর সমাজ বিকাশের স্বার্থে কাজে লাগানো।
ছ) স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সুবিখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং মহৎপ্রাণ অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বদের স্মরণে অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করা।
জ) স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে স্মরণযোগ্য দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় পালন করা।
ঝ) নিয়মিত পাঠ্যাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে যুক্তিনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন সাপেক্ষে আত্ম-উন্নয়ন এবং সামাজিক মূল্যবোধের প্রগতিশীল বিকাশ তরান্বিত করার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা।
ঞ) স্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে সখ্যপূর্ণ সমঝোতার মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে প্রাণময় করার প্রয়াসে অংশগ্রহণ করা ও সহযোগিতামূলক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়া।
ট) স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে উদ্ভূত যে কোনো দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে আর্ত কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাধ্যানুযায়ী অনুযায়ী সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করা।
ঠ) সমাজের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের মুক্তিতে যেহেতু সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সার্বিক মুক্তি নিহিত, সেহেতু শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের মুক্তির চেতনাকে লক্ষ্যের ভেতরে রেখে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকা।
ড) স্বাধীনতা, মুক্তি ও বিশ্বশান্তি অর্জন ও সংহতকরণ প্রক্রিয়ায় সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সাথে একাত্ম হওয়া।
ঢ) সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশ ও জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষাকে অবিকৃতভাবে তুলে ধরা এবং জাতিকে সুখী সুন্দর সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।